1. admin@dainikjanatarnews.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

হরমুজ প্রণালিতে চার তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

  • আপডেট টাইম: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চারটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাহিনীটি দাবি করে, জাহাজগুলো অননুমোদিত পথে চলাচলের চেষ্টা করছিল। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে আঘাত হেনে বিস্ফোরিত হয়।

আইআরজিসির নৌবাহিনীর সর্বশেষ বিবৃতিতে বলা হয়, চতুর্থ ট্যাংকারটিতে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। জাহাজটি সমুদ্রের মাইনে আঘাত হানার পর শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে এবং এতে আগুন ধরে যায়। এর আগে বাহিনীটি জানিয়েছিল, ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলবাহী আরেকটি ট্যাংকারও সমুদ্রের মাইনে আঘাত হেনেছে।

তবে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার খবর তারা পেয়েছে। সংস্থাটির কাছে দেওয়া একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জলপথটি দিয়ে বের হওয়ার সময় অজ্ঞাত কোনো বস্তুর আঘাতে ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এর আগে ইউকেএমটিও জানায়, ইরানের লাভান দ্বীপের প্রায় ৪০ নটিক্যাল মাইল (৭৪ কিলোমিটার) দক্ষিণে একটি জাহাজের বাম পাশে অজ্ঞাত কোনো বস্তু আঘাত হানে। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে নাবিকেরা নিরাপদে রয়েছেন এবং পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানায় সংস্থাটি।

ইউকেএমটিওর উল্লেখ করা জাহাজটি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দাবি করা চারটি ট্যাংকারের একটি কি না, তা স্পষ্ট নয়। লাভান দ্বীপ ইরানের দক্ষিণ উপকূলের কাছে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউএম-১৭০ ড্রোন ভূপাতিত করে আটক করার দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলে একটি মার্কিন চালকবিহীন নৌযান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ দাবি নাকচ করেছে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সব চালকবিহীন নৌযানের অবস্থান সম্পর্কে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে টহলরত উন্নত প্রযুক্তির সামুদ্রিক ড্রোনের একটি বহরও রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা ও রয়টার্স।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও নিউজ
স্বত্ব © ২০২৬ দৈনিক জনতার নিউজ
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি