1. admin@dainikjanatarnews.com : admin :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীর মশুরীখোলা দরবার শরিফে কাল ইসালে ছাওয়াব মাহফিল নোবেল না পেয়ে নরওয়ের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প হরিরামপুরে ৬০ হাজার মিটার জাল ধ্বংস, ৪ জেলের সাতদিনের কারাদণ্ড স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইরানের সঙ্গে বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ কথায় কথায় পুলিশের ওপর দায় চাপানো ঠিক নয়: আইজিপি ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৬৬২ চার দিনের সফরে জাপানে প্রধানমন্ত্রী

বিক্ষোভের মুখে সংসদ ভবন ছাড়লেন মোদি

  • আপডেট টাইম: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এ অনিয়মের অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ অভিযান’ ঘিরে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী নয়াদিল্লি। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন চলাকালে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বলয় ভেঙে সংসদ ভবনের মূল ফটকের বাইরে অবস্থান নিলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ ভবনে উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে তার গাড়িবহর দ্রুত সংসদ এলাকা ত্যাগ করে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকেই সংসদ ভবন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় দিল্লি পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে লোহার ব্যারিকেড বসানো হলেও বিক্ষোভকারীরা সেগুলো ভেঙে সংসদের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধস্তাধস্তিতে কয়েকজন আন্দোলনকারী এবং পুলিশ সদস্য আহত হন।

সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি দ্রুত আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কনট প্লেস, শাস্ত্রী ভবন, রেল ভবন, কনস্টিটিউশন ক্লাব এবং রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সামনের ভিআইপি এলাকাগুলোতে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী একাধিকবার কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। বিশেষ করে রেল ভবনের সামনে দীর্ঘ সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে মিছিলের অগ্রযাত্রা থামানো হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে সংসদের দক্ষিণ দিকের প্রধান যানবাহন প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে মধ্য দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনপথ, রাজীব চক, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও সেবাতীর্থ- এই পাঁচটি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো যাত্রী। মাণ্ডি হাউসসহ কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের ভেতর ও বাইরে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।

 

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সংসদ ভবন, জন্তর মন্তর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই কর্মসূচির জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এছাড়া সংসদ ভবনের আশপাশে বর্তমানে ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষের জমায়েত আইনত নিষিদ্ধ। অনুমতি ছাড়া মিছিল বা সমাবেশ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে তারা। অন্যদিকে সিজেপির আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কর্মসূচির বিষয়ে আগেই লিখিতভাবে পুলিশকে অবহিত করেছিলেন। প্রশাসনই জোরপূর্বক কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তাদের অভিযোগ, বিক্ষোভ দমনে আন্দোলনস্থলের আশপাশে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কেন্দ্রীয় সরকার সম্মতি জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও নিউজ
স্বত্ব © ২০২৬ দৈনিক জনতার নিউজ
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি