1. admin@dainikjanatarnews.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আইজিপি মাদ্রাসায় বলাৎকার রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে: ধর্মমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের স্টাফ পরিচয়ে প্রতারণা, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ক্ষতিগ্রস্ত ২১৯৩৩ যাত্রী সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬ ডেঙ্গুতে এক দিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫১২ প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী আমি বাদাম বিক্রেতা, আলহামদুলিল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলাইছি

ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১৫৩ জনের প্রাণহানি

  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

২০২৫ সালে ইয়েমেনের হুথিদের লক্ষ্য করে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় ১৫৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ২৪৩ জন আহত হয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই পর্যালোচনার তথ্য প্রকাশ করেন। এতে দেখা যায়, ২০১৫ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নথিবদ্ধ বেসামরিক হতাহতের সব ঘটনাই ঘটেছিল এপ্রিলে ইয়েমেনে চালানো তিনটি হামলার কারণে।বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে পেন্টাগনের বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে এই অননুমোদিত (শ্রেণীবদ্ধ নয় এমন) প্রতিবেদনটি মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো হয়েছিল।

এনবিসি নিউজ এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এটি হাতে পায়। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এপির সঙ্গে কথা বলেছেন। কারণ প্রতিবেদনটি নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনার জন্য তিনি অনুমোদিত ছিলেন না। ওই কর্মকর্তা জানান, বিভাগটি আগামী মাসগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি জমা দেবে।

এই সংখ্যাটি ২০১৪ সালের তুলনায় অনেক বেশি; ওই সময় পেন্টাগনের হিসাবে মার্কিন সামরিক অভিযানে দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও দুজন আহত হয়েছিলেন। হামলাগুলো বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানা ও এর আশপাশের এলাকায় হুথি বাহিনী এবং রাস ইসা জ্বালানি বন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল।

রাস ইসা বন্দরে চালানো হামলাটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী; এতে ৮০ জন নিহত ও ১৭১ জন আহত হন। ওই হামলায় আকাশে বিশাল অগ্নিকুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে এবং বন্দরে থাকা ট্যাঙ্কার ট্রাকগুলো জ্বলতে থাকে। হুথিরা পরবর্তীতে তাদের আল-মাসিরাহ টেলিভিশন চ্যানেলে হামলার পরবর্তী পরিস্থিতির দৃশ্য প্রচার করে। যেখানে ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মৃতদেহ দেখা যায়।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের তদারককারী সংস্থা ‘ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড’ (সেন্টকম) ওই সময় জানিয়েছিল, হুথিদের জ্বালানি ও আয়ের উৎস বিচ্ছিন্ন করাই ছিল ওই হামলার লক্ষ্য। ২০১৫ সালের এপ্রিলের ওই হামলার পর সেন্টকম বলেছিল, এই হামলার উদ্দেশ্য ইয়েমেনের জনগণের ক্ষতি করা ছিল না।

সংস্থাটি আরও জানায়, ইরান-সমর্থিত হুথি সন্ত্রাসীদের জ্বালানির উৎস ধ্বংস করতে এবং তাদের সেই অবৈধ আয়ের পথ বন্ধ করতে মার্কিন বাহিনী এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। ওই অর্থ ব্যবহার করে হুথিরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পুরো অঞ্চলে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও নিউজ
স্বত্ব © ২০২৬ দৈনিক জনতার নিউজ
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি