
নিজস্ব প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের মহাসড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন আরা সুলতানা। একই সঙ্গে চালক ও হেলপারদের ডোপ টেস্ট, বৈধ লাইসেন্স এবং যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণবিষয়ক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘তিন চাকার গাড়ি দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ কারণে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়কে তিন চাকার গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, রুট পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি সড়কে চলতে পারবে না। লাইসেন্সবিহীন চালকের হাতে গাড়ি দেওয়া যাবে না। গাড়ির হেলপাররা যাতে চালকের আসনে বসতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। চালক ও হেলপারদের ডোপ টেস্ট করতে হবে এবং মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের গাড়ি চালানো থেকে বিরত রাখতে হবে। পাশাপাশি সড়কের ত্রুটি চিহ্নিত করে তা নিরসনে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. খায়রুল ইসলাম, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রাণী কর্মকার, মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ঢাকা কার্যালয়ের উপপরিচালক প্রকৌশলী মোবারক হোসেন, জেলা কৃষকদলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাইদ, জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক লিটন এবং সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি খন্দকার তুহিন।
সভায় নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা, চালকদের বৈধ লাইসেন্স ও যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিশ্চিত করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় বিভিন্ন বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির প্রতিনিধি, হাইওয়ে পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।